*** নবিজি গায়েব জানে না **

**নবিজি গায়েব জানেন **
আহহালে সুন্নাতের কিছু ভাই আছেন, , তাঁহাদের জন্য পবিত্র কোরানের থেকে কিছু আয়াত এখানে সংখেপে তোলে ধড়া হলো আসা করি কোরান পড়ে বুঝে সেই অনুপাতে কথা বলবো দলিল দিবো। সকল দলিল সকল কথা হবে কোরানের কথা, মানুষের কথা নয়, (ঝালিকাল কিতাবু, সুরায়ে বাকারা) যার কোন সন্দেহ নেই। এবার আশি কোরানে
আচ্ছালামোআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ, ওয়াবারাকাতুহ ভাই জানেরা, ভিবিন্ন হাদিশের দলিল দিয়ে বলেন নবিজি গায়েব জানেন এমন কি পৃথিবীর সব (যানেন, তার পর হাউজে কাউছারের মালিক নবিজী , আমি আপোনাদের কে পবিএ কোরান থেকে কিছু প্রামান দেখালাম আপোনাদের হাদিশের সাতে মিলিয়ে দেখেন, কোরানে তো কোন সন্দেহ নেই, (০১ নং) গায়েবের খবর এক মাএ আল্লাহ যানেন ( সুঃ হাশর আঃনং ২২)
(০২ নং) এমনই তিনি, অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সম্পর্কে জ্ঞাত, মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। ( সুরা আস সিজদাহ্ ৩২ আঃনং-৬) (০৩ নং) গায়েবের চাবি তাঁর কাছে তিনি ছারা কেহ যানেন না ( সুরায়ে আনআম ৬/ আঃ নং ৫৯) (০৪ নং) এক মাএ তিনি গায়েবের মালিক ( সুঃ জিন ৭২/ আঃ নং ২৬) (০৫নং) লেকে তোমাকে কিয়ামতের কথা জিঘাংসা করিবে, সে ঞান কি তোমার আছে? ( সুঃ নযি য়াত ৭৯/ আঃ নং ৪২/৪৩) (০৬ নং) লোকেরা জিঘাংসা করবে কেয়ামত কখন হবে , বল সে ঞানত আল্লাহর কাছে ( সুরায়ে মুলক ৬৭/ আঃ নং ২৫/২৬) (০৭ নং) আল্লাহ সব কিছুর অভিভাবক ( সুঃ যুমার ৩৯/ আঃনং ৬২) (০৮ নং) আমি তোমাদের মত মানুষ আমার কাছ অহি আসে তোমাদের কাছে আসেনা, ( সুঃ কাহ্ফ ১৮/ আঃ নং ১১০) ( ০৯ নং) দুর্ভোগ মিত্যাছারদের জন্য, ( সুঃ মুর সালাত ৭৭/ আঃনং ১৫/ এই কথাটি দশ বার বলা হয়েছে এই সুরাতে) (১০ নং) তারা তোমাকে ক্বিয়ামাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে কখন তা সংঘটিত হবে। বল, ‘এ বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে আমার প্রতিপালকের নিকট। তিনি ছাড়া
কেউ প্রকাশ করতে পারে না কখন তা ঘটবে। আসমান ও যমীনে তা হবে বড় এক কঠিন দিন। আকস্মিকুবে জিজ্ঞেস করছে যেন তুমি আগ্রহ সহকারে এটার খোঁজে ব্যস্ত আছ। বল, ‘এ বিষয়ের জ্ঞান তো শুধু আল্লাহরই নিকট আছে। কিন্তু (এ সত্যটা) অধিকাংশ লোকই জানে না।’ ( সূরা আল আরাফ আয়াত ১৮৭) ( ১১ নং) আল্লাহ আসমান যমীনের অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে অবগত। অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে তিনি বিশেষভাবে জ্ঞাত। (সূরা ফাতির 35 আয়াত 38)
(১২ নং) বল, আকাশ ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না আল্লাহ ছাড়া, আর তারা জানে না কখন তাদেরকে জীবিত ক’রে উঠানো হবে। সুরা আন নামল ২৭ আয়াতনং ৬৫) (১৩ নং)
কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকটই আছে, (সুরা লুকমান 31 আয়াত নং 34)
(১৪ নং) লোকে তোমাকে ক্বিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করে। বল, তার জ্ঞান কেবল আল্লাহর নিকটই আছে। কিসে তোমাকে জানাবে- সম্ভবতঃ ক্বিয়ামত নিকটেই। (সূরা আল আহযাব 33 আয়াত নং 63) (১৫ নং)
ক্বিয়ামত কখন সংঘটিত হবে সে সম্পর্কিত জ্ঞান একমাত্র তাঁর কাছেই আছে। কোন ফলই তার আবরণ থেকে বেরিয়ে আসে না, এবং কোন নারী গর্ভধারণ করে না আর সন্তান প্রসব করে না তাঁর অজ্ঞাতে।(সূরা ফুসসিলাত 41 আয়াতনং 47) (১৬ নং) আসমান ও যমীনের গোপন বিষয়ের খবর আল্লাহই জানেন। তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন। (সূরা হুজুরাত 49 আয়াত নং 18) (১৭ নং)
আগমনকারী মুহূর্ত (ক্বিয়ামত) নিকটবর্তী। আল্লাহ ছাড়া কেউ তা সরাতে পারে না (বা প্রকাশ করতে পারে না)। সূরা আন-নাজম ৫৩ আয়াতনং ৫৭/৫৮)
(১৮ নং) কোন কিছুই মিত্যাছার করা যাবেনা, সাবধান। কাফির ছাড়া কেহ আল্লাহর আয়াত নিয়ে ঝগড়া করেন না, ( সুরা গাফির ৪০/ আঃ নং ৪) (১৯ নং) বল, আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তা ছাড়া আমার নিজের ভাল বা মন্দ করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। আমি যদি অদৃশ্যের খবর জানতাম তাহলে নিজের জন্য অনেক বেশি ফায়দা হাসিল করে নিতাম, আর কোন প্রকার অকল্যাণই আমাকে স্পর্শ করত না। যারা ঈমান আনবে আমি সেই সম্প্রদায়ের প্রতি সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা ছাড়া অন্য কিছু নই। (সূরা আল আরাফ ৭ আয়াত নং ১৮৮) নিবিজি যে গায়েব যানেন না তার কিছু উদহারন (মুরাইসী’) যুদ্ধ হতে ফিরে আসার সময় (সাঃ) ও সাহাবা (রাঃ) গণ মদীনার নিকটবর্তী এক স্থানে রাত্রে বিশ্রাম নিলেন। প্রত্যূষে আয়েশা (রাঃ) নিজের প্রয়োজনে একটু দূরে গেলেন। তখন মোনাফেক নাতা আবদুল্লাহ বিন উবাই মিত্যা ঘটনা রটান, যখন মা আয়শা রাঃ কে ঐ স্তানের থেকে উঠের পিটে করে নিয়ে যায়। এই গঠনা সুরা নুরের ১১ নং আয়াত থেকে ২১ নং আয়াত পর্যন্ত উল্লেখ্য করা হয় । তারপর নিবিজি যদি গায়েবের খবর যাতেন তাহলে কি ইহুদী মহিলা নিবিজি কে রুটি মাংসের সাতে বিষ খাওাতে পারতো ? নিবিজি গায়েবের খবর যানলে ৭০ জন সাহাবি কে কাফেরদের সাতে দিতেন কোরান তেলোয়াতের জন্য সে খানে ৬৯ জন সাহাবাকে তারা হত্যাকরে। তোমরা কি ভাবে বল নিবিজি গায়েব যানেন ? আসা করি কেহ
আয়াত নিয়ে ঝগরা করবেন না। এই কথা গুলি কোন কবির কলাম নয় আল কোরান, দয়া করে কেহ মনে কষ্টি নিবেন না, আপোনাদের কথা গুলি কোরানের সাতে মিলিয়ে দেখেন, ( ১৯ টি আয়াত ) এখানে দেওয়া হয়েছে ধন্যবাদ। কোথাও যদি বুঝাতে আমার ভুল হয়ে থাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিবেন, কিন্তু কোরআনের আয়াত কোন ভুল নেই । মোঃ ইমরান খাঁন **

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s